Post Image

নন্দিতাকে (utsargo) - গল্পসল্প


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "নন্দিতাকে" কবিতাটি (মূলত 'গল্পসল্প' গ্রন্থের অন্তর্গত) ১৯৪১ সালের ১২ মার্চ রচিত, যেখানে তিনি তাঁর পৌত্রী (মীরা দেবীর কন্যা) নন্দিতা দেবীকে উদ্দেশ করে জীবনের প্রান্তবেলায় আশীর্বাদ ও গভীর ভালোবাসার বার্তা দিয়েছেন।

এই কবিতায় কবি নাতনির সুন্দর ও পুণ্যময় সংসার জীবনের কামনা করেছেন।


নন্দিতাকে - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (মূল কবিতাংশ)

শেষ পারানির খেয়ায় তুমি দিনশেষের নেয়ে

অনেক জানার থেকে এলে নূতন-জানা মেয়ে।

ফেরাবে মুখ যাবে যখন ঘাটের পারে আনি,

হয়তো হাতে দিয়ে যাবে রাতের প্রদীপখানি।

--- (১২ মার্চ, ১৯৪১)

(দ্রষ্টব্য: এটি 'গল্পসল্প' বইয়ের উৎসর্গ বা শুরুর কবিতা, যা Bangla Library সূত্রে প্রাপ্ত)


মূলভাব ও প্রেক্ষাপট:

উৎসর্গ: ১৯১৬ সালে জোড়াসাঁকোয় জন্মগ্রহণকারী নন্দিতা ছিলেন রবীন্দ্র-পৌত্রী।

প্রেক্ষাপট: রবীন্দ্রনাথের জীবনের শেষ বছর, ১৯৪১ সালে, যখন তিনি অসুস্থ শরীর নিয়ে "শেষ পারানির খেয়া" বা মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন।

মূল সুর: এই কবিতাটি এক বৃদ্ধ দাদামশাইয়ের তার প্রিয় নাতনির প্রতি স্নেহ, আশীর্বাদ এবং তার আসার মাধ্যমে জীবনের প্রতি নতুন মুগ্ধতার বহিঃপ্রকাশ।


আরেকটি পৃথক কবিতায় (পত্রপুট), তিনি লিখেছিলেন:

"তোমার সংসার ঘেরি, নন্দিতা, নন্দিতা তব মন / সরল মাধুর্যরসে নিজেরে করুক সমর্পণ। / তোমাদের আকাশেতে নির্মল আলোর শঙ্খনাদ, / তার সাথে মিলে থাক্ দাদামশায়ের আশীর্বাদ।"

EiAmi.com