সে (se) - অন্যান্য
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত "সে" (১৯৪০) একটি কালজয়ী বাংলা কল্পকাহিনি বা কথাসাহিত্য, যেখানে তিনি এক ছোট মেয়ে 'পুপে'র দাদামশাইয়ের কল্পনায় সৃষ্ট এক অদ্ভুত চরিত্র 'সে'-এর গল্প বলেছেন। এটি মূলত কল্পকাহিনি, রূপক ও ছোটগল্পের মিশ্রণে তৈরি, যেখানে বিজ্ঞান, সমাজ ও মানবিক সম্পর্কের গভীর পর্যবেক্ষণ ফুটে উঠেছে।
"সে" বইটির মূল তথ্য:
লেখক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।
প্রকাশকাল: ১৯৪০ (১৯৩৭-১৯৪০ সালের মধ্যে রচিত, যখন তিনি অসুস্থ ছিলেন) ।
ধরন: কল্পকাহিনি, সাহিত্য, ছোটগল্প ।
মূল কাহিনি: পুপে নামক এক বালিকা তার দাদামশাইয়ের (কবি নিজে) কাছে গল্প শোনে। দাদামশাই তার স্মৃতির পাতা উল্টে এমন এক অদ্ভুত চরিত্র 'সে' কে সামনে নিয়ে আসেন, যে কোনো নির্দিষ্ট ছকে বাঁধে না।
বৈশিষ্ট্য: এটি রবীন্দ্রনাথের শেষ জীবনের কাজ, যা খুব আধুনিক এবং গদ্যশৈলী ভিন্নধর্মী।
এই বইতে কল্পনার আশ্রয় নিয়ে তিনি তৎকালীন সমাজ, বিজ্ঞান এবং মানুষের মনের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করেছেন।